bdstall.com

সোলার আইপিএস / ইনভার্টারের দাম

আইটেম ১-৪০ এর ৯৯

সোলার আইপিএস কেনাকাটা

সোলার ইনভার্টার হল হোম সোলার সিস্টেম প্যাকেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস। এটি ডাইরেক্ট কারেন্টকে অল্টারনেটিং কারেন্টে রূপান্তর করে। বৈদ্যুতিক উৎপাদন বৃদ্ধি করতে বাংলাদেশের গ্রামের পাশাপাশি শহরাঞ্চলেও বর্তমানে সোলার ইনভার্টারের চাহিদা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে সোলার ইনভার্টারের দাম এখন আগের তুলনায় অনেক কম।

বাংলাদেশে সোলার আইপিএস ইনভার্টারের দাম কত?

বাংলাদেশে সোলার আইপিএস ইনভার্টারের দাম ১৫,০০০ টাকা থেকে শুরু করে লক্ষ টাকার উপরেও আছে এবং কত শক্তির সোলার ইনভার্টার দরকার এবং তা দিয়ে কতগুলো জিনিস চালাবেন এর উপ্ত নির্ভর করে সোলার ইনভার্টারের দাম। কিছু ক্ষেত্রে দাম ব্রান্ডের উপরও নির্ভর করে কারন কোয়ালিটি ভাল হবে। তবে এখন বাংলাদেশে সোলার ইনভার্টারের দাম প্রযুক্তির উন্নয়নের কারনে অনেক কম।

১০০০ ওয়াট পর্যন্ত সোলার আইপিএস

এই ক্যাপাসিটির সোলার আইপিএস ছোট পরিবার বা অফ-গ্রিড সোলার সিস্টেমের সাথে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত হয়ে থাকে। এটি এলইডি লাইট এবং মোবাইল সহ অন্যান্য ছোট ইলেক্ট্রনিক্স  ডিভাইসে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে। বর্তমানে, ১০০০ ওয়াটের  মধ্যে স্বল্প পাওয়ার ক্যাপাসিটির সোলার আইপিএস বিডিস্টলে রয়েছে, যার দাম ১২,০০০ টাকা থেকে শুরু।

২০০০ ওয়াট পর্যন্ত সোলার আইপিএস

২০০০ ওয়াটের সোলার আইপিএস আবাসিক ভবণে ব্যবহারের জন্য বেশ জনপ্রিয়। কারণ এটি বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং খরচের বেশ ভালো ভারসাম্য প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে ২০০০ ওয়াট পর্যন্ত সোলার আইপিএস এর দাম ১৩,৭০০ টাকা থেকে ২০,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। তাছাড়া, এই ক্যাপাসিটির সোলার সিস্টেম দিয়ে বাসা-বাড়িতে লাইট ব্যবহার করা যায়, পাশাপাশি ফ্যান, রেফ্রিজারেটরের মত হোম অ্যাপ্লায়েন্স ব্যবহার করা যায়।

৩০০০ ওয়াট পর্যন্ত সোলার আইপিএস

এই ক্যাপাসিটির সোলার আইপিএস বড় পরিবার কিংবা ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সরবারহ করে থাকে। বর্তমানে, ৩ কিলোওয়াট এর মধ্যে সোলার আইপিএস এর দাম ২২,৫০০ টাকা থেকে ৩০,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। এই ক্যাপাসিটির সোলার আইপিএস দিয়ে এসি এবং ওয়াশিং মেশিনের মত অ্যাপ্লায়েন্স ব্যবহার করা যায়।

৪০০০ ওয়াট পর্যন্ত সোলার আইপিএস

অফিস এবং বাসা-বাড়ি উভয় ক্ষেত্রে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবারহের জন্য ৪০০০ ওয়াটের সোলার আইপিএস উত্তম। তাই, এই ক্যাপাসিটির সোলার আইপিএস বাসা-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ছোট পরিসরের অফিসের জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবারহ করতে পারে। পাশপাশি এসব স্থানে ব্যবহৃত ডিভাইস সমূহ দীর্ঘস্থায়ী এবং আরামদায়কভাবে ব্যবহারের নিশ্চয়তা প্রদান করে। তাছাড়া, ৪০০০ ওয়াট সোলার আইপিএস দিয়ে একই সময়ে একাধিক উচ্চ ওয়াটের ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন। বর্তমানে, ৪০০০ ওয়াট পর্যন্ত সোলার আইপিএস জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস বিডিস্টলে ৩৪,৫০০ টাকা থেকে ৪৫,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।

৫০০০ ওয়াটের উপরে সোলার আইপিএস

এই ক্যাপাসিটির সোলার আইপিএস বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস কিংবা ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল এরিয়াতে বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয় । ৫০০০ ওয়াট কিংবা তার বেশি ক্যাপাসিটির সোলার আইপিএস দিয়ে প্রায় সব ধরণের ডিভাইস নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া, ওভারলোড, ওভারচার্জ এবং শর্ট সার্কিট কন্ট্রোল এর মত প্রটেকশন দিয়ে তৈরি করার পাশাপাশি উন্নত টেকনোলোজি যুক্ত থাকায় ত্রুটি মুক্ত ভাবে দীর্ঘদিন ব্যবহারের নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে ৫০০০ ওয়াট কিংবা তার বেশি পাওয়ার ক্যাপাসিটির সোলার আইপিএস ৪৮,০০০ টাকা থেকে ১৩০,০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।  

সোলার আইপিএস ইনভার্টার কেনার আগে কিছু টিপস জানা অত্যাবশ্যকঃ

  • আইপিএস ইনভার্টার টাইপঃ প্রথমে কোন ধরনের ইনভার্টার কিনবেন জেনে নিন।  কারন এর উপর নির্ভর করবে আপনি কোন ধরনের ডিভাইস চালাবেন। বাংলাদেশে তিন ধরণের সোলার আইপিএস ইনভার্টার পাওয়া যায়। ইনভার্টার টাইপ ভেদে সোলার আইপিএস এর দাম কম বেশি হয়ে থাকে।
    • সাইন ওয়েব ইনভার্টারঃ এই ধরণের ইনভার্টার দিয়ে ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, রেফ্রিজারেটর, মাইক্রোওয়েভ সহ সকল ধরনের হোম এপ্লায়েন্স চলতে পারে। এটি ডিভাইস সমূহে কোন প্রকার ত্রুটি বা শব্দ ছাড়াই বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। সাইন ওয়েব ইনভার্টার উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন হয়ে থাকে, ফলে এর দামও তুলনামূলক ভাবে কিছুটা বেশি হয়ে থাকে।
    • স্কয়ার ওয়েব ইনভার্টারঃ সকল ধরনের ডিভাইস চালাতে পারে না এবং এর থেকে সামান্য শব্দও জেনারেট হতে পারে। তাছাড়া, এটি  স্থিতিশীলভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারায়, আধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস সমূহের জন্য সুবিধাজনক হয় না। এটি দিয়ে শুধুমাত্র লাইট এবং হিটারের মত ইলেক্ট্রিক ইকুইপমেন্টে ব্যবহার করা যায়। বাংলাদেশে স্কয়ার ওয়েব ইনভার্টার যথেষ্ট সাশ্রয়ী দামে পাওয়া যায়।
    • স্টেপেড সাইন ওয়েব ইনভার্টারঃ এটি উপরোক্ত দুই ইনভার্টারের মধ্যম পারফরম্যান্স দিবে। আর এটি দিয়ে শুধুমাত্র কম্পিউটার বা সমমানের  ডিভাইস চালানো যায়। তাছাড়া, সাইন ওয়েভ ইনভার্টারের তুলনায় দাম অনেক কম হয়ে থাকে। ফলে, বাজেট-বান্ধব ব্যবহারকারীদের জন্য স্টেপেড সাইন ওয়েভ ইনভার্টার কর্মক্ষমতা এবং খরচের মধ্যে ভালো ভারসাম্য প্রদান করবে।
  • পাওয়ার ক্যালকুলেটঃ আপনার কত পাওয়ার দরকার ক্যালকুলেট করে নিন কারন তানাহলে আপনার সকল প্রয়োজনীয় ডিভাইস চলবে না। তবে প্রয়োজনের তুলনায় একটু বেশি নেয়া ভাল কারন ভৱিষ্যতে হয়ত প্রয়োজন হতে পারে। আর সবসময় ৮০ পার্সেন্ট লোডের কথা বিবেচনা করবেন তাহলে সোলার ইনভার্টারটি অনেক দিন সেবা দিবে।
  • ইউপিএস ফাংশনালিটিঃ আপনার যদি নিরবিচ্ছিন্ন সেবা প্রয়োজন তাহলে সোলার আইপিএস ইনভার্টারের সাথে ইউপিএস ফাংশান আছে কিনা জানেন নিন। সেক্ষেত্রে আপনার ডিভাইসটি কারেন্ট চলে গেলেও একমুহূর্তের জন্য বন্ধ হবে না।
  • সঠিক ব্যাটারি নির্বাচনঃ সোলার ইনভার্টারের ক্যাপাসিটির উপর ভিত্তি করে ব্যাটারি নির্ধারণ করুন। ফ্ল্যাট প্যানেল, টিউবুলার অথবা মেইনটেনেন্স ফ্রি ব্যাটারি বেছে নিতে পারেন। এগুলো দাম এবং মানের উপর ভিত্তি করে ৩-৫ বছর পর্যন্ত চলে।
  • শব্দের মাত্রা মূল্যায়নঃ আপনার ঘরে যদি শিশু অথবা বৃদ্ধ লোক থাকে তাহলে জেনে নিন সোলার ইনভার্টারটি শব্দ করে কিনা। তা না হলে ঘূমের ব্যাঘাত হতে পারে।
  • শক্তি দক্ষতা যাচাইঃ সোলার ইনভার্টারটি নিজে চলতে কত চার্জ প্রয়োজন জেনে নিন।  এটি যদি এনার্জি এফিসিয়েন্ট না হয় তা হলে ব্যাটারি ফুল চার্জ হয়ে গেলেও বিদ্যুতের অপচয় হবে।
  • ব্যাকআপ সময় ক্যাল্কুলেশনঃ আর আপনার কতক্ষন ব্যাকআপ দরকার হিসাব করে নিন। বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বেশি ব্যাকআপ প্রয়োজন। এটি হিসাব করার পদ্ধতি হল ব্যাটারিটি কত ভোল্টের তার সাথে ব্যাটারির এম্পিয়ার ও ইনভার্টারের ভিএ দিয়ে গুন্ করলে কতক্ষন চলবে জানতে পারবেন।

অন-গ্রিড এবং অফ-গ্রিড সোলার সিস্টেম মধ্যে পার্থক্য কি?

  • অন-গ্রিড সোলার সিস্টেমঃ অন-গ্রিড সোলার সিস্টেম সাধারণত ইউটিলিটি পাওয়ার গ্রিডের সাথে যুক্ত থাকে, যা দিনের বেলায় বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে জমা রাখে। পরবর্তীতে, সোলার এনার্জি পর্যাপ্ত না থাকলে গ্রীড থেকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে থাকে। যেহেতু গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে থাকে, তাই এতে ব্যাটারির প্রয়োজন হয় না। এছাড়া, অন-গ্রিড সোলার সিস্টেম দামে সাশ্রয়ী এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা যথেষ্ট সহজ।
  • অফ-গ্রিড সোলার সিস্টেমঃ অন্যদিকে অফ-গ্রিড সোলার সিস্টেম স্বাধীনভাবে কাজ করে থাকে। এটি ইউটিলিটি নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয় না। পর্যাপ্ত সৌরশক্তি না থাকলে এটি বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সম্পূর্ণরূপে ব্যাটারি স্টোরেজের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে। তাছাড়া, রাতে বা মেঘলা দিনে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য এটি ব্যাটারিতে সঞ্চিত শক্তি ব্যবহার করে থাকে। অফ-গ্রিড সোলার সিস্টেম ইন্সটলেশন যেমন জটিল তেমনি দামও বেশি হয়ে থাকে।

হাইব্রিড বনাম এমপিপিটি 

  • হাইব্রিড সোলার আইপিএসঃ সোলার প্যানেল, হাইব্রিড ইনভার্টার এবং সোলার ব্যাটারি সমন্বয়ে  হাইব্রিড সোলার আইপিএস তৈরী করা হয়। এটি বাসা-বাড়ি, অফিস কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য যথেষ্ট দক্ষ এবং কার্যকর এনার্জি সরবারহ করে। এই ধরণের সোলার সিস্টেম দিনের বেলায় সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং রাতে বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় ব্যাটারিতে সঞ্চিত এনার্জি ব্যবহার করে থাকে। হাইব্রিড সোলার সিস্টেম অন-গ্রিডে এবং অফ-গ্রিড উভয় ধরণের সোলার সিস্টেমের সাথে কাজ করতে পারে। বাসা-বাড়িতে ব্যবহার উপোযগী ১০০০ ওয়াটের কম পাওয়ার ক্যাপাসিটি সম্পন্ন হাইব্রিড সোলার প্যানেলের দাম ১২,০০০ টাকা থেকে শুরু। এছাড়াও, ওভারলোড, ওভারচার্জিং, শর্ট সার্কিট প্রটেকশন এবং এডভান্স টেকনোলজি যুক্ত উচ্চ্ ক্যাপাসিটির হাইব্রিড সোলার আইপিএস এর দাম বাংলাদেশে ৩৪,০০০ টাকা থেকে ১২৫,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।   
  • এমপিপিটি সোলার আইপিএসঃ সোলার প্যানেল থেকে সৌর বিদ্যুৎ অপ্টিমাইজ করার জন্য এমপিপিটি টেকনোলোজির সমন্বয়ে তৈরি সোলার আইপিএসকে এমপিপিটি সোলার আইপিএস বলা হয়। এই টেকনোলোজি মূলত মডিউলগুলোর ইলেকট্রিক্যাল অপারেটিং পয়েন্ট সামঞ্জস্য করে, এবং সর্বোচ্চ পাওয়ার পয়েন্টে কাজ করে। সামগ্রিকভাবে সোলার এনার্জি তৈরির প্রক্রিয়াকে দক্ষতার সাথে উন্নত করে। এই ধরণের টেকনোলোজি যেকোনো আবহাওয়াতে প্রয়োজন অনুযায়ী সোলার প্যানেল থেকে শক্তি সংগ্রহ ৩০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পারে। তাছাড়া, এই ধরণের সোলার আইপিএস যথাযথ পর্যবেক্ষণ করা যায় । আপনি অ্যাপ কিংবা অয়েব ইন্টারফেসের মাধ্যমে এমপিপিটি সোলার আইপিএসের কর্ম ক্ষমতা ও শক্তি উৎপাদন ট্র্যাক করতে পারবেন। বর্তমানে, বাংলাদেশে এমপিপিটি সোলার আইপিএস এর দাম ১৯,৫০০ টাকা থেকে ৭০,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।

সোলার আইপিএস ইনস্টল করার জন্য কী কী আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্রের প্রয়োজন?

  • সোলার আইপিএস ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথমত সোলার প্যানেল লাগবে, যা সৌর শক্তি সংগ্রহ এবং বিদ্যুৎ রুপান্তর করবে। তবে, সোলার প্যানেল এর সাইজ এবং সংখ্যা আপনার চাহিদা অনুযায়ী কিনতে পারেন।
  • সোলার প্যানেল থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ (ডিসি) কে অল্টারনেটিং কারেন্টে (এসি) রূপান্তর করার জন্য ইনভার্টার ব্যবহার করতে হবে। যা পরবর্তীতে বাসা-বাড়ি, অফিস কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ডিভাইসে বিদ্যুৎ সরবারহ করতে সহায়তা করবে।
  • আপনি অফ-গ্রিডের সোলার সিস্টেম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে যদি দিনে সূর্যের আলো না থাকে কিংবা রাতে ব্যবহারের জন্য সোলার আইপিএস এর সাথে সোলার ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে।
  • সোলার প্যানেল থেকে ব্যাটারিতে আসা ভোল্টেজ এবং কারেন্ট নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি সোলার আইপিএসে অতিরিক্ত চার্জ হওয়া রোধ করতে চার্জ প্রটেক্টর ব্যবহার করতে হবে।
  • সোলার সিস্টেমের সমস্ত ডিভাইস যেমন সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ইত্যাদি পরস্পর সংযোগ করার জন্য উপযুক্ত তার এবং কানেক্টর ব্যবহার করতে হবে।
  • ছাদে, দেওয়ালে কিংবা মাটিতে সোলার প্যানেল সেট আপ করার জন্য মাউন্টিং স্ট্রাকচার ব্যবহার করতে হবে। 

বাংলাদেশের সেরা সোলার আইপিএস এর মূল্য তালিকা April, 2025

2024 & April, 2025-এর বাংলাদেশের সেরা সোলার আইপিএস এর তালিকা দেওয়া হল।। বিডি স্টলের সোলার আইপিএস ক্রেতাদের আগ্রহের ভিত্তিতে এই সেরা সোলার আইপিএস এর তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

সোলার আইপিএস মডেল বাংলাদেশে দাম
Luminous NXG 1150 Solar Inverter ৳ ১৩,০০০
Sako E-Sun 2kVA Off Grid Hybrid Solar Inverter ৳ ২৪,০০০
Exide Solar Hybrid Inverter 1100VA UPS ৳ ১৩,০০০
Sako Sunon Pro 3.5kW Hybrid Inverter ৳ ৪১,০০০
Hinvert HMK-Plus 1.5kW MPPT Solar Inverter IPS ৳ ২৫,০০০
SOLARCTRL 3.2kVA Hybrid Solar Inverter ৳ ৩৪,৫০০
Luminous NXG 1850 1500VA Solar Inverter IPS ৳ ২১,০০০
Hinvert HMK-Plus 2.5kW MPPT Off Grid Solar Inverter ৳ ২৮,৫০০
Luminous NXG 1150e Pure Sine Wave Solar Inverter ৳ ১৩,৭০০
Luminous NXG 1450e Pure Sine Wave Solar Inverter ৳ ১৮,৬০০